প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 15, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Apr 13, 2026 ইং
পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের জাতিসত্তা, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ দিনটি নতুন বছরের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে এবং পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি দূর করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।
আগামীকাল ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে নববর্ষ ১৪৩৩-এর শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে বিদায়ী বাংলা বছর ১৪৩২-এর সফলতা ও অগ্রগতি কামনা করেন।
বাণীতে তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। এ উৎসব বাংলার লোকজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করে।
তিনি আরও বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক রূপ তুলে ধরে এবং জাতীয় ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করে।
প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, দীর্ঘ সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সহায়তা এবং কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু।
তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ কৃষি অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাণীতে তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশ্বব্যাপী চলমান সংকটের মধ্যে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নববর্ষ সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। তিনি দেশবাসীকে আবারও নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ Mirror News