জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ সম্মাননা প্রদান করেন।
এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
তালিকায় সবচেয়ে আলোচিত নাম প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মনোনীত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন—
মুক্তিযুদ্ধ: মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল (মরণোত্তর) এবং ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (প্রতিষ্ঠান)
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম
চিকিৎসা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
সংস্কৃতি: হানিফ সংকেত এবং বশির আহমেদ (মরণোত্তর)
সাহিত্য: ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর)
ক্রীড়া: জোবেরা রহমান লিনু
সমাজসেবা: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
গবেষণা ও প্রশিক্ষণ: মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া
জনপ্রশাসন: কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)
পল্লী উন্নয়ন: পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)
পরিবেশ সংরক্ষণ: আব্দুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)
পুরস্কারপ্রাপ্তরা ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের ৫০ গ্রাম ওজনের পদক, সনদপত্র এবং সম্মানির চেক গ্রহণ করেন।