প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 4, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 23, 2025 ইং
জ্যোতিষীর কাছে হাত দেখানো ইসলামে কেনো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ?

জ্যোতিষ শাস্ত্রকে ইসলাম জাদুবিদ্যার অন্তর্ভুক্ত মনে করে এবং ভাগ্য গণনা বা ভবিষ্যৎ জানতে জ্যোতিষীর শরণাপন্ন হওয়াকে হারাম ঘোষণা করেছে। ধর্মীয় গ্রন্থ ও হাদিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ভবিষ্যতের খবর আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না।
কুরআনে বলা হয়েছে, “আকাশ ও পৃথিবীতে আল্লাহ ছাড়া কেউ অদৃশ্যের খবর জানে না” (সুরা নামল: ৬৫)। অন্য আয়াতে উল্লেখ আছে, “তার কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এগুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না” (সুরা আনআম: ৫৯)।
রাসুলুল্লাহ (সা.) জ্যোতিষীদের দাবিকে মিথ্যা আখ্যা দিয়ে বলেছেন, শয়তান ফেরেশতাদের কাছ থেকে কিছু কথা চুরি করে এনে জ্যোতিষীদের বলে দেয়, তারা তাতে শত মিথ্যা যোগ করে মানুষের কাছে উপস্থাপন করে (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২১০, ৭৫৬১)।
হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে, যে কেউ জ্যোতিষীর কাছে গিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করলে তার চল্লিশ দিনের নামাজ কবুল হবে না (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২২৩০)। আর যদি জ্যোতিষীর কথাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে, তবে তা ইমানহানির শামিল।
এ ছাড়া, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, “যে ব্যক্তি জ্যোতিষ শাস্ত্রের কোনো বিষয় শিখবে, সে জাদুবিদ্যার একটি অংশ শিখল। আর জাদুকর হলো কাফের” (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩৭২৬)।
ধর্মীয় আলেমরা সতর্ক করেছেন, জ্যোতিষী বা গণকের কাছে যাওয়া, তাদের কথা বিশ্বাস করা কিংবা এসব বিদ্যা চর্চা করা ইসলামে কবিরা গুনাহ। মুসলমানদের এসব কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ Mirror News