চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পরিবারের এক সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাত শতাধিক ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এনসিপিতে যোগদানকারীদের মধ্যে- কনটেন্ট ক্রিয়েটর, শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, প্রকৌশলী ও ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি এলডিপি ও বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীও ছিলেন।
অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এবং দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ নবাগতদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের ইতিহাস আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস। সূর্যসেন ও প্রীতিলতার মতো বিপ্লবীদের চেতনা ধারণ করেই এনসিপি চট্টগ্রামকে আরও সুসংগঠিত করবে।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, সেখানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা হবে।
নতুন যোগদানকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এনসিপির পতাকাতলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও এনসিপি সারা দেশে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে সংস্কারের পথ থেকে সরে গেছে।
জুলাই আন্দোলনে নারীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ নারী নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
এনসিপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকার বলেন, জুলাই বিপ্লবের চেতনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। প্রয়োজনে নতুন আন্দোলনের সূচনা চট্টগ্রাম থেকেই হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজা উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং মহানগরীর যুগ্ম সমন্বয়কারী আরিফ মঈনুদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পরিবারের এক সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাত শতাধিক ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দিয়েছেন।
নিউজ ডেস্ক