ঢাকা

প্রমোদতরীর পর যুক্তরাজ্যেও হান্টাবাইরাস শনাক্ত

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত


এমভি হোন্ডিয়াস প্রমোদতরীতে হান্টাবাইরাস সংক্রমণের ঘটনার পর এবার যুক্তরাজ্যে দুই ব্রিটিশ নাগরিকের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ আটলান্টিকের ত্রিস্তান দা কুনহা দ্বীপে আরও একজন আক্রান্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৮ মে) যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএইচএসএ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে প্রমোদতরীটি স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের টেনেরিফের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইতোমধ্যে এই প্রাদুর্ভাবে তিনজনের মৃত্যু হওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে একজন জার্মান নাগরিক এবং নেদারল্যান্ডসের এক দম্পতি রয়েছেন। এদিকে প্রমোদতরী থেকে আগে নেমে যাওয়া বিভিন্ন দেশের যাত্রীদের খুঁজে বের করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, হান্টাবাইরাসের বৈশ্বিক বিস্তারের ঝুঁকি এখনো কম। সংস্থাটির মহামারি ব্যবস্থাপনা পরিচালক মারিয়া ভ্যান কেরখোভ বলেন, এই ভাইরাস সাধারণত ইঁদুরের মাধ্যমে ছড়ায় এবং মানুষে মানুষে সংক্রমণ খুবই বিরল। তবে প্রমোদতরীতে শনাক্ত হওয়া ‘আন্দিজ’ স্ট্রেন সীমিত পরিসরে মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে বলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাজ্য সরকার ইতোমধ্যে তাদের সাত নাগরিককে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রেখেছে। কয়েকজনকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে এবং অন্যদের ৪৫ দিনের জন্য নিভৃতবাসে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুরসহ কয়েকটি দেশ ফেরত যাত্রীদের পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া, অ্যারিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসে ফেরত যাত্রী শনাক্ত করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরও তাদের দুই নাগরিককে আইসোলেশনে রেখেছে। যদিও অধিকাংশ যাত্রীর মধ্যে এখনো কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত শনাক্তকরণ, স্ক্রিনিং ও আইসোলেশন ব্যবস্থার কারণেই পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও সমুদ্রপথে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।



কমেন্ট বক্স