ঢাকা

চরখোর্দ্দা গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দা ও চরখোর্দ্দা গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো। স্থায়ী সেতুর অভাবে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খোর্দ্দা ও চরখোর্দ্দা গ্রামের যাতায়াতের প্রধান এই পথটিতে এখনো কোনো স্থায়ী ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে জরাজীর্ণ ও নড়বড়ে একটি বাঁশের সাঁকো। প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, অসুস্থ রোগী ও বৃদ্ধরা চরম ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পারাপার করছেন।

বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। সামান্য অসাবধানতাই ডেকে আনতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টি হলে সাঁকোটি অত্যন্ত পিচ্ছিল হয়ে পড়ে এবং তখন চলাচল প্রায় মৃত্যুঝুঁকির সমান হয়ে দাঁড়ায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্থায়ী সেতুর দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্বাচন এলেই নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও ভোট শেষ হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতিগুলো আর বাস্তবায়নের মুখ দেখে না।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা কোনো বিলাসিতা চাই না, শুধু নিরাপদে চলাচলের অধিকার চাই। প্রতিদিন আমাদের সন্তানদের জীবন হাতে নিয়ে এই সাঁকো পার হতে হয়। একটি স্থায়ী সেতু এখন সময়ের দাবি।”

এলাকাবাসী দ্রুত এই স্থানে একটি টেকসই ও নিরাপদ সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, খোর্দ্দা ও চরখোর্দ্দা গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।



কমেন্ট বক্স