ঢাকা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় শেষ মুহূর্তে উঠে এলো ৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি ; সংগৃহীত ছবি ; সংগৃহীত
কিছুক্ষণের মধ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। তেহরান বলছে, আনুষ্ঠানিক আলোচনা তখনই শুরু হতে পারে, যখন ওয়াশিংটন লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেবে।
 
এখানে দুই পক্ষ যেসব মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারে, সেগুলো তুলে ধরা হলো।

১. ইরান লেবাননে যুদ্ধবিরতি চায়, যেখানে মার্চে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের হামলায় প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয়—কিন্তু তেহরান জোর দিয়ে বলছে, এটি এর অন্তর্ভুক্ত।

২. ইরান চায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করুক এবং বহু বছর ধরে তাদের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিক। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে প্রস্তুত, তবে তা হবে ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে ছাড় দেওয়ার বিনিময়ে।

৩. ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের কর্তৃত্বের স্বীকৃতি চায়, যেখানে তারা যাতায়াত ফি আদায় এবং প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায় তেলবাহী জাহাজসহ অন্যান্য নৌযান যেন কোনো সীমাবদ্ধতা, এমনকি টোল ছাড়াই অবাধে চলাচল করতে পারে।

৪. ইরান ছয় সপ্তাহের যুদ্ধের সময় হওয়া সব ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

৫. ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই চায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হোক। কিন্তু তেহরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে কোনো আপস হবে না।

৬. ইরান চায়, অঞ্চল থেকে মার্কিন যুদ্ধবাহিনী সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হোক, সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা হোক এবং পারস্পরিক অ-আগ্রাসনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হোক। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে, কোনো শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখবে। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, ইরান যদি শর্ত মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সংঘাত আরও বড় আকারে বাড়তে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা



কমেন্ট বক্স