ঢাকা

চাষির হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিতে টাঙ্গাইলে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত

নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের প্রথম দিনে কৃষকদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিতে টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে গুলশানের বাসভবন থেকে তার গাড়িবহর রওনা দেয় এবং পরে তিনি টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগ দেন।


পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সদর উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সুবিধাভোগীদের হাতে কার্ড তুলে দেন।


জানা গেছে, ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর আগে সরকার ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড এবং খালখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে বলে জানানো হয়। এসব উদ্যোগকে গ্রামীণ উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের রাষ্ট্রীয় সহায়তার আওতায় আনা হচ্ছে। এতে কৃষি খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সেবা আরও সহজ ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।


এদিকে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে প্রাক-পাইলটিং হিসেবে এই কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। এই ধাপে মোট ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক ‘কৃষক কার্ড’ সুবিধা পাবেন।


মন্ত্রী আরও জানান, এই কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগী কৃষকরা বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে অন্যান্য সুবিধাও যুক্ত করা হবে, যাতে কৃষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।


সরকারের দাবি, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষকদের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা কাঠামো হিসেবে কাজ করবে।


টাঙ্গাইলের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়। পহেলা বৈশাখের উৎসবমুখর পরিবেশে এই কর্মসূচি কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।




কমেন্ট বক্স