ঢাকা

ফি জমা দিলেও নথিভুক্ত না হওয়ায় কর্মকর্তার সঙ্গে শিক্ষার্থীর বাকবিতণ্ডা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি :  মিরর নিউজ ছবি : মিরর নিউজ

ইবি প্রতিনিধি: ফি জমা দিলেও নথিভুক্ত না হওয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) একাডেমিক শাখার এক কর্মকর্তার সঙ্গে কয়েকজন শিক্ষার্থীর বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার ২২৬ নম্বর কক্ষে উপ-রেজিস্ট্রার মহিউদ্দিন হাওলাদারের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে। পরে একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার আলীবদ্দীন খানের সহায়তায় বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের স্নাতক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মো. তানজিল হোসাইন, আব্দুল্লাহ নূর মিনহাজ এবং আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের স্নাতক ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের নাহিদ হাসান।

জানা গেছে, আল-হাদিস বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর জমা দেওয়া ফি নথিভুক্ত না হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে একাডেমিক শাখার দাবি, ব্যাংক থেকে জমা দেওয়া রশিদের কপি না পাঠানোর কারণে এসব ফি নথিভুক্ত হয়নি।

আব্দুল্লাহ নূর মিনহাজ বলেন, “পরিবহন ও বেতন ফি নিয়ে জটিলতা হয়েছে। আমাদের ব্যাচের অনেকেরই ফি নথিভুক্ত হয়নি। কীভাবে এটি হলো জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অসদাচরণ করেন। পরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।”

শোয়াইব বিন আসাদ বলেন, “আমিও টাকা জমা দিয়েছি, কিন্তু তা নথিভুক্ত হয়নি। পরে রশিদ নিয়ে গেলে নথিভুক্ত করা হয়। তবে যারা রশিদ নিয়ে যায়নি, তাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেছেন ওই কর্মকর্তা। কর্মকর্তার বক্তব্য ছিল, ২০২৩ সালে তিনি এ দপ্তরে ছিলেন না অথবা ব্যাংক থেকে রশিদ আসেনি।”

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আরেক শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “স্নাতকের সনদ উত্তোলন করতে গিয়ে দেখি আমার চতুর্থ বর্ষের কোনো টাকা জমা হয়নি। অথচ আমি টাকা জমা দিয়েছি। বিষয়টি একাডেমিক অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রথমে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরদিন রশিদ খুঁজে নিয়ে দেখালে তখন এন্ট্রি করা হয়। এ ধরনের হয়রানির শিকার প্রতিনিয়ত অনেক শিক্ষার্থী হচ্ছেন। এর প্রতিকার হিসেবে আমরা অনলাইন ব্যাংকিং সেবা চালুর দাবি জানাচ্ছি।”

উপ-রেজিস্ট্রার মহিউদ্দিন হাওলাদার বলেন, “২০২৩ সালের কিছু রশিদ আমাদের কাছে আসেনি। তবে পুরো ব্যাচের নয়। খাতায় তথ্য সম্পূর্ণ না থাকলে আমরা কীভাবে বলব যে সে টাকা জমা দিয়েছে? ব্যাংক থেকে এখানে রশিদ না এলে তো নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। রশিদগুলো ব্যাংক দেয়, আমি তো দিই না।”



কমেন্ট বক্স