ঢাকা

কুয়েতে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রবাসীদের জন্য নির্দেশনা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত
উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কুয়েতে প্রবেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন শর্ত ও জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। কুয়েতের বৈধ সিভিল আইডিধারী বা নতুন ভিসাপ্রাপ্তদের বিষয়ে এসব নির্দেশনা দিয়েছে কুয়েত সরকার।


কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে জানায়, ২৮ ফেব্রুয়ারির পর দেশে থাকা প্রবাসীদের ছুটির মেয়াদ ৩ মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে সিভিল আইডির মেয়াদ বৈধ থাকতে হবে।


বুধবার শ্রম কল্যাণ উইংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. শোয়াইব উল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি চাকরি, গৃহকর্মী, পারিবারিক ভ্রমণসহ বিভিন্ন ধরনের ভিসাপ্রাপ্ত অনেকেই বর্তমান পরিস্থিতির কারণে কুয়েতে প্রবেশ করতে পারেননি। এসব ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ নেই। যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা বা আবেদনকারীর মাধ্যমে নতুন করে প্রবেশ ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।


এদিকে, ২৮ ফেব্রুয়ারির নিষেধাজ্ঞার পর দাম্মাম ট্রানজিট হয়ে কুয়েত এয়ারলাইন্স সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে ২৪ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার কথা রয়েছে। একই রুটে ১২ এপ্রিল থেকে ফ্লাইট চালু করেছে জাজিরা এয়ারওয়েজ। এয়ারলাইন্সগুলো যাত্রীদের জন্য পাসপোর্টের কমপক্ষে ৬ মাস এবং ভিসার ২১ দিন থেকে ১ মাস মেয়াদ থাকা বাধ্যতামূলক করেছে।


মেয়াদ কম থাকায় অনেক প্রবাসী কুয়েতে প্রবেশ করতে পারছেন না। সরাসরি ঢাকা-কুয়েত ফ্লাইট না থাকায় যাত্রীদের সৌদি আরবের দাম্মাম হয়ে বেশি খরচে যাতায়াত করতে হচ্ছে। আবার যেসব প্রবাসীর সৌদিতে পূর্বের ফৌজদারি মামলা রয়েছে, তাদের ট্রানজিট ভিসা থাকা সত্ত্বেও কুয়েতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না; সৌদি থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।


এ পরিস্থিতিতে কুয়েতে অবস্থানরত অনেক প্রবাসী দেশে ফিরতে পারছেন না, অন্যদিকে দেশে আটকে পড়ারা পড়েছেন ভিসা বাতিল ও চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদ রুটে বাংলাদেশ বিমানের বড় উড়োজাহাজ ও আসন সংখ্যা বাড়ানো হলে ভাড়া কমত এবং প্রবাসীদের যাতায়াত সহজ হতো।




কমেন্ট বক্স