জামালপুরে ২৩৭ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি পুরস্কার ও সংবর্ধনা দিয়েছে কিশোর কণ্ঠ পাঠক ফোরাম।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অডিটোরিয়ামে জমকালো আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামালপুর কিশোর কণ্ঠ পাঠক ফোরামের পরিচালক আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কিশোর কণ্ঠ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য নূরুল হুদা। এছাড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মো. ইমন হোসেন, আরও অনেকে বক্তব্য দেন।
৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিয়ান বলেন, আমি এই পুরস্কার পেয়ে খুব খুশি। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করার জন্য চেষ্টা করবো।
৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া আক্তার বলেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতা আমাদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ায়। আমি নিয়মিত অংশ নিতে চাই।
অভিভাবক আল ইমরান সুজন বলেন, এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে। আমরা চাই এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হোক।”
প্রধান অতিথি নূরুল হুদা বলেন, “মেধাবী প্রজন্মই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে। কিশোর কণ্ঠ সেই মেধাকে বিকশিত করার একটি সুন্দর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো করলেই হবে না, নৈতিক শিক্ষায়ও সমৃদ্ধ হতে হবে।”
প্রধান বক্তা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল বলেন, “বর্তমান প্রজন্ম যদি সঠিক দিকনির্দেশনা পায়, তাহলে তারা দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিতে পারবে। কিশোর কণ্ঠের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের পরিচালক আসাদুল ইসলাম বলেন, “আমরা চাই শিক্ষার্থীরা শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে এগিয়ে আসুক। এই মেধাবৃত্তি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
বক্তব্য শেষে ২৩৭ জন বিজয়ীর মাঝে সনদপত্র, নগদ অর্থ ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।
এদিকে এমন আয়োজন পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে জেলার ৭টি উপজেলায় চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী একযোগে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এ অংশগ্রহণ করে। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় যাচাই-বাছাই শেষে ২৩৭ জনকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ২৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ১০৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে।