ঢাকা

ইরানে স্কুলে হামলায় নিহত ১৫৫, অধিকাংশই শিক্ষার্থী-শিক্ষক

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত


মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলায় নিহত হয়েছেন ১৫৫ জন। নিহতদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি মঙ্গলবার প্রকাশিত তথ্যে জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই হামলায় ৭৩ জন ছাত্র ও ৪৭ জন ছাত্রী নিহত হয়। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ছিলেন ২৬ জন শিক্ষক, সাতজন অভিভাবক, একটি স্কুলবাসের চালক এবং স্কুলসংলগ্ন একটি ক্লিনিকের একজন ফার্মেসি টেকনিশিয়ান।

সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৫ জনে, যদিও এর আগে এ সংখ্যা ১৭৫ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

ওই দিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থানে সামরিক হামলা শুরু করে। এর জবাবে তেহরানও পাল্টা হামলা চালায় বলে জানা গেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

তবে এ ঘটনায় ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামলার শুরুর দিকে তিনি দাবি করেন, এর জন্য ইরান নিজেই দায়ী হতে পারে। যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, টমাহক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের হাতে নেই।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এ হামলাকে “পরিকল্পিত ও পর্যায়ক্রমিক আক্রমণ” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “যারা নিজেদের উন্নত প্রযুক্তি ও নিখুঁত সামরিক সক্ষমতার অধিকারী দাবি করে, তাদের ক্ষেত্রে এই হামলাকে ভুলবশত বলা বিশ্বাসযোগ্য নয়।”

এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।




কমেন্ট বক্স