অদ্য ০৩ মে ২০২৬ খ্রি. রোজ রবিবার দুপুর আনুমানিক ১.১০ ঘটিকার দিকে পানছড়ি বাজারের মুক্তিযোদ্ধা স্কয়ারের সামনে পানছড়ি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোঃ জাকির হোসেনের উপর বিএনপি'র সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। উক্ত সন্ত্রাসীদের একটি দল আনুমানিক ১:২০ ঘটিকায় উল্টাছড়ি ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ মজনু মিয়ার উপরও হামলা চালায়।
প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানায়, হামলাকারীরা দীর্ঘসময় ধরে ঘটনাস্থলে লোহার পাইপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘুরাঘুরি করছিল। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর জনাব জাকির হোসেন তার এসএসসি পরীক্ষার্থী মেয়েকে আনতে যাওয়ার পথে বিএনপি'র ১২-১৫ জান সন্ত্রাসীরা লাঠি, রড, বাটাম দিয়ে এলোপাথারি হামলা করার পর পালিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা জনাব জাকির হোসেনের মাথায় গুরুতর আঘাত করে।
জনাব জাকির হোসেন জানান, সকাল সাড়ে নয়টায় উপজেলা বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মোঃ আল-আমিন এর সাথে গাড়ি পার্কিং নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় এবং আল আমিন জনাব জাকির হোসেনকে বাজারে কিভাবে আসে তা দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। দুপুরে মেয়েকে আনতে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় মুক্তিযোদ্ধা স্কয়ারে আল-আমিন এর অনুসারী উজ্জ্বল, লুৎফর রহমান কাঞ্চন, আশরাফুল, আরিফ হোসেন, মোশারফ হোসেন সহ ১২-১৫ জন অতর্কিত হামলা চালায়।
জনাব জাকির হোসেনকে হামলার পর সন্ত্রাসীরা উল্টাছড়ি ব্রিজের পরে উল্টাছড়ি ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি জনাব মজনু মিয়ার উপরও অতর্কিত হামলা চালায়।
জনাব মজনু মিয়া জানান, তার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী, তাকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে আনুমানিক ১:২০ ঘটিকায় উল্টাছড়ি ব্রিজের পরে সন্ত্রাসীরা তাকে বলে, "তোরা এখন ক্ষমতাই নেই, রাস্তাঘাটে কেন আসোস, বাজারে কেন আসোস?" বলে লাঠি, রোড দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। হামলায় অংশ নেয় উজ্জল, পিতা:মোসলেম উদ্দিন, আশরাফুল, পিতা: জুলহাস, আরিফ হোসেন, পিতা লোকমান হোসেন, মোশারফ হোসেন সহ ৬-৭ জন। হামলায় জনাব মজনু মিয়ার বৃদ্ধাঙ্গুল ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মাংস থেতলে যায়।
নিউজ ডেস্ক