রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন করে গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক দেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে এমন একটি দেশ যেখানে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে এবং নারী-পুরুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।
শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।
তারেক রহমান বলেন, অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতা, গুম ও নির্যাতনের সংস্কৃতি থেকে দেশকে বের করে আনা বিএনপির অন্যতম লক্ষ্য। তার মতে, রাজনীতিতে তর্ক-বিতর্ক থাকবে, মতের পার্থক্য থাকবে, কিন্তু সহিংসতা ও ভয়ভীতি থাকবে না।
তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া বিএনপির ইশতেহার এখন সাধারণ মানুষের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। দেশের জনগণ এই ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সভায় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। দলকে মাঠে আরও সক্রিয় ও সংগঠিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
এ সময় তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক পরিবেশে অতীতের মতো সহিংসতা যেন ফিরে না আসে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক ও সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলাই বর্তমান সময়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
দলীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন পর বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে এই ধরনের বৃহৎ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হলো, যা সংগঠনকে মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় করার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে বিএনপি নেতৃত্বের এই বক্তব্যকে দলীয় পুনর্গঠন এবং রাজনৈতিক সক্রিয়তা বাড়ানোর কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
নিউজ ডেস্ক