ঢাকা

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আওয়ামী লীগের সুবর্ণা ঠাকুর

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। সেখানে হেভিওয়েটদের অনেকেই মনোনয়ন না পাওয়ার খবরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন। এই আলোচনার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে চমকপ্রদ তথ্য। বলা হচ্ছে, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সুবর্ণা ঠাকুর (শিকদার) পেয়েছেন বিএনপির মনোনয়ন।

এই ঘোষণার পরপরই আলোচনায় আসেন সুবর্ণা ঠাকুর (শিকদার)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তৎকালীন সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের গঠিত কমিটির একটি তালিকা। ওই তালিকার ২৭ নম্বরে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম।

কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরের বছর ১ জানুয়ারি কমিটির পূর্ণাজ্ঞ তালিকা প্রকাশ করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবুদ্দিন আজম স্বাক্ষরিত ওই তালিকার ২৭ নম্বরে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম।

তাছাড়া তৎকালীন সময়ে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়েছিলেন সুবর্ণা— এই দাবিতে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোগ্রাম যুক্ত একটি ফাইল হাতে (মনোনয়ন ফরম) সুবর্ণাকে বলতে শোনা গেছে, প্রধানমন্ত্রী মানবতার মা আমাকে মনোনয়ন দেবেন। আমি যাতে মানব কল্যাণে কাজ করতে পারি। আমি জন্মলগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগে আছি, শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য।

এদিকে এই ঘটনার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন হওয়া উচিত ছিল। অন্য দল থেকে এসে সরাসরি মনোনয়ন পাওয়া আমাদের জন্য হতাশাজনক।’

অন্যদিকে, বিএনপির একটি অংশ বিষয়টিকে কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, বিভিন্ন পটভূমির ব্যক্তিদের দলে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে দলকে আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা থাকতে পারে।

তবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সুবর্ণা ঠাকুর ভিন্ন দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কমিটিতে আমার নাম রাখা হয়েছিল আমার অনুমতি ছাড়াই। আমি কখনো সক্রিয়ভাবে ওই দলর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।




কমেন্ট বক্স