রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কোনো একক সরকারের সিদ্ধান্ত নয়, বরং দীর্ঘদিনের একটি জাতীয় প্রকল্প—এমন মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার প্রথম এ প্রকল্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করে এবং ১৯৬৩ সালে পাবনার রূপপুর এলাকায় জমি অধিগ্রহণ করা হয়।
আম্মার উল্লেখ করেন, ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে ফরাসি কোম্পানি সোফ্রাটম প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই করে। পরে ১৯৮৭-৮৮ সালে জার্মান প্রতিষ্ঠান লাহমেয়ার ইন্টারন্যাশনাল ও মোটর কলম্বাস পুনরায় সমীক্ষা চালায়।
তিনি আরও বলেন, ১৯৯৭ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অ্যাটমিক এনার্জি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০১৭ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালে এসে এর প্রথম ইউনিট চালু হয়েছে।
পোস্টে আম্মার দাবি করেন, এটি কোনো ব্যক্তি বা সরকারের একক অবদান নয়; বরং জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত একটি জাতীয় প্রকল্প। একইসঙ্গে তিনি প্রকল্পের ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
নিউজ ডেস্ক