ঢাকা

বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন সংরক্ষিত আসনের ৪৯ নারী ,গেজেট আগামীকাল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি: সংগৃহিত ছবি: সংগৃহিত

বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্মসচিব মো. মঈন উদ্দিন খান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৪৯ জনকে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এই ৪৯ সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্মসচিব মো. মঈন উদ্দিন খান।

তিনি বলেন, "বর্তমানে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে– বিএনপি ও তার জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী ও দলীয় জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে একজন। তালিকাসহ মোট ৪৯ জন বৈধ প্রার্থীর নাম ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে এবং নোটিশ আকারে টানানো হয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা আসন আইনের ১২(২) ধারা অনুযায়ী আগামীকাল এই তালিকাই গেজেট করা হবে।"

যুগ্মসচিব মঈন উদ্দিন খান জানান, 'সংরক্ষিত মহিলা আসন আইন, ২০০৪' অনুযায়ী গত ১৮ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করা হয়। সে অনুযায়ী আজ (২৯ এপ্রিল) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। যেহেতু শূন্য পদের সংখ্যা এবং জমা পড়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা সমান, তাই সংরক্ষিত মহিলা আসন আইনের ১২(২) ধারা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, "ইতোমধ্যে প্রকাশিত বৈধ ৪৯ জন প্রার্থীর তালিকা মাননীয় কমিশনে উপস্থাপন করে গেজেট আকারে প্রকাশ করবো।"

অন্যান্য প্রার্থীর বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, একজন প্রার্থী কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করেছেন, তবে এ বিষয়ে এখনও কমিশনের কাছে কোনো তথ্য নেই। এছাড়া নুসরাত তাবাসসুম রিট দায়ের করেছেন এবং তার রায়ের কপি কমিশনে জমা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, "আদালত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার (নুসরাত তাবাসসুম) মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে যাচাই-বাছাই (স্ক্রুটিনি) করে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছি।"

আদালতের নির্দেশনার 'নিষ্পত্তি' বলতে কী বুঝানো হয়েছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "নিষ্পত্তি বলতে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইন অনুযায়ী স্ক্রুটিনি করা বোঝানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন, আবার বাতিলও হতে পারেন—সেটা ইন কোর্স অব টাইম (সময়ের সাথে সাথে নির্ধারিত হবে)।"



কমেন্ট বক্স