চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার-এর জন্য ২৮৭ জন প্রার্থীকে বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি। এর মধ্যে ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংস্থা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে কমিটির সচিব ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন জানান, এ বছরের মনোনয়নে নতুন অনেক নাম যুক্ত হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে শান্তি পুরস্কারের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
তিনি বলেন, শান্তি পুরস্কার এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মনোনীতদের তালিকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নাম থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কম্বোডিয়া, ইসরায়েল এবং পাকিস্তানের নেতারা তাকে মনোনয়ন দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
তবে নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মনোনয়ন যাচাই বা নিশ্চিত করার সুযোগ নেই, কারণ মনোনীতদের তালিকা ৫০ বছর পর্যন্ত গোপন রাখা হয়।
এদিকে, নরওয়ের এক আইনপ্রণেতা লার্স হাল্টব্রেকেন জানিয়েছেন, তিনি আলাস্কার সিনেটর লিসা মুরকোস্কি এবং গ্রিনল্যান্ড থেকে ডেনিশ পার্লামেন্ট সদস্য আজা কেমনিটজকেও মনোনয়ন দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা আর্কটিক অঞ্চলে শান্তি ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।
এর পাশাপাশি রাশিয়ার বিরোধী নেতা আলেক্সেই নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া, পোপ লিও এবং সুদানের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস’সহ আরও কয়েকটি নাম সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে।
কমিটি আরও জানিয়েছে, ২০২৩ সালের শান্তি পুরস্কারজয়ী ইরানি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মাদির স্বাস্থ্যের অবনতিতে তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং তার চিকিৎসা ও মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।
এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে আগামী ৯ অক্টোবর এবং পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ১০ ডিসেম্বর।