এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জাতীয় সংসদের হুইপ ও সংসদ সদস্য, লক্ষ্মীপুর -৪, রামগতি -কমলনগর। গুন্ডামি, দুর্নীতি কিংবা অন্যের জায়গা-জমি দখলের সঙ্গে জড়িতদের পাশে না দাঁড়ানোর কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান।
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ তিনি বলেন, আমি দুর্নীতি, লুটপাট বা ভাগাভাগির রাজনীতিতে নেই। কেউ যদি গুন্ডামি করে বা অন্যের জমি দখল করে, তাহলে তার পাশে আমাকে পাবেন না।”
সৎভাবে চাকরি বা ব্যবসা করতে চাইলে সহযোগিতা করা হবে, কিন্তু অন্যায় করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নে একটি খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে তিনি তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ বাজার থেকে ভুলুয়া নদী পর্যন্ত খাল পুনঃখনন কাজের সফলতা কামনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ প্রকল্পটি এলাকার পানি নিষ্কাশন ও কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পথসভায় দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে নিজান বলেন, “আমি দুর্নীতি, লুটপাট বা ভাগাভাগির রাজনীতিতে নেই। কেউ যদি গুন্ডামি করে বা অন্যের জমি দখল করে, তাহলে তার পাশে আমাকে পাবেন না।” তিনি আরও বলেন, অতীতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দিয়ে জোরপূর্বক স্লোগান দেওয়ানো হতো
এ ধরনের সংস্কৃতি আর চলতে দেওয়া হবে না। প্রশাসনের জন্য একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ভর্তুকি দিয়ে
তেল আমদানি করছে। হাওড় অঞ্চলের কৃষকদের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লেও সরকার ভর্তুকি দিয়ে সুলভ মূল্যে সার সরবরাহ করছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ফসলহানির দায় কোনো রাজনৈতিক দলের নয়। এ সময় তিনি দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন,
“ইনশাআল্লাহ বর্তমান সংকট কেটে যাবে এবং আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারব।”
সবশেষে খাল খনন কাজটি যেন সঠিকভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে স্থানীয়দের সজাগ থেকে তদারকি করার নির্দেশ দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম. দিদার হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীরা
নিউজ ডেস্ক
