অধিকাল ভাতা বন্ধের প্রতিবাদ এবং পুনরায় চালুর দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মচারী দাবি আদায় পরিষদের নেতারা।
দাবি আদায়ে আগামী ১৯ মে থেকে ২১মে বিকাল ৫ টা থেকে অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দরের সকল কার্যক্রম কর্মবিরতির আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছেন পরিষদের নেতারা। নির্ধারিত সময়ে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামী ৭ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় কর্মবিরতি চলমান থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্মচারী দাবি আদায় পরিষদের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান মিঞা বলেন, প্রতিষ্ঠাকাল থেকে দৈনিক নির্ধারিত কর্মঘণ্টার অতিরিক্ত সময় বিকাল ৫ টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এবং সাপ্তাহিক ও সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির কাজের জন্য কর্মচারীদের অধিকাল ভাতা চলমান ছিল। অধিকাল ভাতা প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ৪৮ঘণ্টা দেওয়া হতো।পরবর্তীতে বন্দরের কাজের বিবেচনায় ২০১২ সালের ১৮তম বোর্ড সভায় ৭২ ঘণ্টায় উন্নীত করা হয়। যা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় অনুমোদন দেয়। তখন থেকে সাধারণ কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ৭২ঘণ্টা অধিকার ভাতা প্রদান করা হতো।
তিনি আরও বলেন, বেনাপোল স্থলবন্দরে গত বছর নভেম্বর এবং অন্যান্য স্থলবন্দরে ২০২৪ সালের জুনে অধিকাল ভাতা বন্ধ করে দেয়। গত বছরের ডিসেম্বরে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করা হলেও, এখনও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
জানতে চাইলে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন রেজা বলেন, অধিকাল ভাতা এবং বকেয়া পুনরায় চালু করলে ভালো হয়। কারণ তারা রাতদিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করে থাকে। আমি যোগদান করার পর ৯ মাস দেওয়া হয়েছিল। পরে অর্থ বিভাগ থেকে চিঠি দেওয়াতে সেটা বন্ধ হয়ে যায়। তাদের কর্মবিরতির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে।
অধিকাল ভাতা বন্ধের প্রতিবাদ এবং পুনরায় চালুর দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মচারী দাবি আদায় পরিষদের নেতারা।
নিউজ ডেস্ক