যুক্তরাষ্ট্রে ছয় হাজারেরও বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর শিক্ষাবিষয়ক ভিসা বাতিল করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের বরাতে জানা গেছে, আইন লঙ্ঘন, মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসায় অবস্থান এবং নিরাপত্তা ইস্যুসহ বিভিন্ন কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ভিসাগুলোর অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা হামলা, চুরি, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেওয়ার মতো অভিযোগে যুক্ত ছিলেন।
পররাষ্ট্র দফতরের এক সূত্র জানায়, প্রায় ৪ হাজার ভিসা আইন ভঙ্গের কারণে এবং আরও ২০০ থেকে ৩০০টি ভিসা 'সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের' সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বাতিল করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইন INA-3B এর আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ভিসা বাতিলের এ পদক্ষেপ এমন সময় নেওয়া হলো, যখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিবাসন এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিষয়ে আরও কঠোর নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
যদিও মার্কিন কর্তৃপক্ষ ‘সন্ত্রাসবাদে সমর্থন’ বলতে ঠিক কী বোঝাচ্ছে, তা স্পষ্ট করেনি, তবে জানানো হয়েছে—কিছু শিক্ষার্থী ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের ভাষায়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড 'ইহুদি-বিরোধী আচরণের' উদাহরণ।
এছাড়া, নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে সব ভিসা আবেদনকারীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট যাচাই করার নিয়ম চালু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীদের মনোভাব ও কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করছে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বক্তব্যে বলেন,
“যারা অতিথি হিসেবে এসেছেন অথচ আমাদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থিতিশীল করছেন, তাদের ভিসা বাতিল অব্যাহত থাকবে।”
তবে এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন ডেমোক্র্যাট রাজনীতিকরা। তাদের মতে, এমন আচরণ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যমূলক।
উল্লেখ্য, ওপেন ডোর্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ লাখের বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন, যাঁরা বিশ্বের ২১০টিরও বেশি দেশ থেকে এসেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে ছয় হাজারেরও বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর শিক্ষাবিষয়ক ভিসা বাতিল করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের বরাতে জানা গেছে, আইন লঙ্ঘন, মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসায় অবস্থান এবং নিরাপত্তা ইস্যুসহ বিভিন্ন কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ভিসাগুলোর অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা হামলা, চুরি, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেওয়ার মতো অভিযোগে যুক্ত ছিলেন।
পররাষ্ট্র দফতরের এক সূত্র জানায়, প্রায় ৪ হাজার ভিসা আইন ভঙ্গের কারণে এবং আরও ২০০ থেকে ৩০০টি ভিসা 'সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের' সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বাতিল করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইন INA-3B এর আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ভিসা বাতিলের এ পদক্ষেপ এমন সময় নেওয়া হলো, যখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিবাসন এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিষয়ে আরও কঠোর নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
যদিও মার্কিন কর্তৃপক্ষ ‘সন্ত্রাসবাদে সমর্থন’ বলতে ঠিক কী বোঝাচ্ছে, তা স্পষ্ট করেনি, তবে জানানো হয়েছে—কিছু শিক্ষার্থী ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের ভাষায়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড 'ইহুদি-বিরোধী আচরণের' উদাহরণ।
এছাড়া, নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে সব ভিসা আবেদনকারীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট যাচাই করার নিয়ম চালু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীদের মনোভাব ও কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করছে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বক্তব্যে বলেন,
“যারা অতিথি হিসেবে এসেছেন অথচ আমাদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থিতিশীল করছেন, তাদের ভিসা বাতিল অব্যাহত থাকবে।”
তবে এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন ডেমোক্র্যাট রাজনীতিকরা। তাদের মতে, এমন আচরণ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যমূলক।
উল্লেখ্য, ওপেন ডোর্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ লাখের বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন, যাঁরা বিশ্বের ২১০টিরও বেশি দেশ থেকে এসেছেন।
নিউজ ডেস্ক